মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

পরিষদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

জেলা পরিষদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

 

১। জেলা পরিষদের মালিকানাধীন সম্পত্তিতে বাণিজ্যিক ভবন/মার্কেট নির্মাণঃ-

 

(ক) মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদের নিজস্ব আয় বৃদ্ধি ও জেলার বেকার যুবক ও যুব মহিলাদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে মুন্সীগঞ্জ শহরস্থ মুক্তারপুর নামক স্থানে পঞ্চসার  মৌজায় জেএল ৩৮, খতিয়ান নং ২, ৭৩২ নম্বর  দাগে জেলা পরিষদের নিজস্ব ৫৫ শতাংশ জমিতে বহুতল বাণিজ্যিক ভবন/মার্কেট নির্মাণ কাজ পরিকল্পনাধীন আছে। শীঘ্রই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, পস্ন্যান-ডিজাইনসহ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব প্রেরণ করা হবে। মার্কেটটি নির্মিত হলে বার্ষিক প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা জেলা পরিষদের আয়  হবে।

(খ) মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদের নিজস্ব আয় বৃদ্ধি ও জেলার বেকার যুবক ও যুব মহিলাদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে শ্রীনগর উপজেলা সদরে সাবরেজিস্ট্রার অফিসের রাস্তার পার্শ্বস্থ শ্রীনগর মৌজায় জেএল ৩৫,  খতিয়ান নং ২, ৭২৯ নম্বর  দাগে জেলা পরিষদের নিজস্ব ৩২ শতাংশ খালি জমিতে বহুতল বিশিষ্ট মাল্টিপারপাস বাণিজ্যিক ভবনের প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। শীঘ্রই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, পস্ন্যান-ডিজাইনসহ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব প্রেরণ করা হবে। মার্কেটটি নির্মিত হলে বার্ষিক প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা জেলা পরিষদের আয়  হবে।

(গ) মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদের নিজস্ব আয় বৃদ্ধি ও জেলার বেকার যুবক ও যুব মহিলাদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে জেলা সদরে অবস্থিত পুরাতন  বাস ষ্ট্যান্ডের সন্নিকটে বাগমামুদালী মৌজায় জেএল ৪১, খতিয়ান নং ২, ১৩৯ নম্বর  দাগে জেলা পরিষদের ২০ শতাংশ জায়গায় বহুতল বিপনী বিতান ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। শীঘ্রই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, প্লান-ডিজাইনসহ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব প্রেরণ করা হবে। মার্কেটটি নির্মিত হলে বার্ষিক প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা জেলা পরিষদের আয়  হবে।

 

২। মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদের পরিত্যক্ত সদর ডাকবাংলো ভেঙ্গে উক্ত স্থানে ১৫ শতাংশ জমিতে বহুতলবিশিষ্ট বাণিজ্যিক ভবনসহ ডাকবাংলো নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। জমি সংক্রান্ত বিষয়ে জেলা প্রশাসনের সাথে জটিলতা থাকায়  প্রকল্পের কাজ বিলম্বিত হচ্ছে।

 

৩।  মুন্সীগঞ্জ জেলা শহরের কেন্দ্র স্থলে জেলা পরিষদের মালিকানাধীন ‘‘মুন্সীগঞ্জ নিউ মার্কেট’’ সংলগ্ন স্থানে জেলা পরিষদ  পুরাতন  স্টাফ কোয়ার্টারের (পরিত্যক্ত) স্থানে প্রায় ৮ শতাংশ জায়গায় নীচতলা ওদোতলা মার্কেটসহ আবাসিক ভবন নির্মাণ পরিকল্পনাধীন রয়েছে। প্রকল্পটি বাসত্মবায়িত  হলে জেলা পরিষদের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আবাসন সমস্যা দূরীভূত হবে এবং বাণিজ্যিক ভবন  হতে  বার্ষিক প্রায় ২০ লক্ষাধিক টাকা আয় হবে।

 

৪। শিক্ষিত বেকার যুবক ও যুব মহিলাদের আত্মকর্মসংস্থান ও দারিদ্র বিমোচনের লক্ষ্যে স্বল্পমূলে/বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রদান এবং  ঘরে বসে অর্থ উপর্জনের লক্ষ্যে আউটসোর্সিং/ফ্রি-ল্যান্সিং এর উপর এবং ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ এর উপর প্রশিক্ষণ প্রদানের নিমিত্ত জেলা পরিষদ চত্বরে একটি স্বয়ং সম্পূর্ণ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (আইসিটি সেন্টার)স্থাপন এবং প্রতিটি উপজেলায় এ কেন্দ্রের একটি করে শাখা স্থাপনের পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে।

 

৫। খাদ্যে ভেজাল রোধ, বিভিন্ন খাদ্য দ্রব্যে ফরমালিন ও অন্যান্য বিষাক্ত ক্ষতিকারক রাসায়নিক দ্রব্য মিশ্রনের ফলে জনগণের মারাত্মক স্বাস্থ্যহানি ও পরিবেশ দূষন রোধকল্পে স্থানীয় জনসাধারণ ও সংশিস্নষ্ট সকল বিভাগের সমন্বয়ে সচেতনতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এরূপ স্বাস্থ্য হানিকর কর্মকান্ডের বিরম্নদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলার ব্যাপারে একটি সমন্বিত কর্মসূচী গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।

 

৬। মুন্সীগঞ্জ জেলারশিক্ষিত/অর্ধ শিক্ষিত বেকার যুবকদের আত্মকর্মসংস্থান, দারিদ্র বিমোচন ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে আগ্রহী যুৃবকদের ড্রাইভিং, কার্পেন্টার, ইলেকট্রিক, রেডিও-টেলিভিশন মেরামত, মটর মেকানিক ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।